লক অথবা হাইড করুন মোবাইলের যেকোন ফাইল
-------------------------------------------------------------------
আপনি ইচ্ছা করলে আপনার মোবাইলের যেকোন ফাইল যেমন গান,ভিডিও,ছবি লক করে রাখতে পারেন.পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি ফাইল রাখতে পারেন .প্রথমে নিচের লিংক থেকে যেকোন একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে ট্রান্সফার করে তারপর ইন্সটল করুন এখান হতে অথবা আপনি মোবাইল থেকে সরাসরি http://www.bd1971.peperonity.com এ গিয়েও ডাউনলোড করতে পারবেন যাদের মোবাইল symbian সাপোর্ট করে তারা নিচের softwareটি দেখতে পারেন।
----------------------------------------------------------------------------
বাংলা লিংকের এসএমএস চেইন –
আজকে বাংলালিংকের (Banglalink) মজার একটা জিনিস খুঁজে পেলাম যার নাম আমি দিয়েছি এসএমএস চেইনিং ( SMS Chaining)। যার মাধ্যমে আপনি মজার মজার এসএমএস পেতে পারবেন আপনার মোবাইলে একদম ফ্রি।কিভাবে?
- প্রথমে যে কোন বাংলালিংক নম্বর থেকে 01924 420 420 নম্বরে ডায়াল করুন।
- ডায়াল করলে শুনতে পাবেন "আপনার ডায়ালকৃত নম্বরে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। অনুগ্রহ করে..."
- কলটি কেটে দিন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
- দেখবেন আপনার মোবাইলে একটি মজার এসএমএস এসে পড়েছে।
- এবার এই এসএমএস এর ভেতরে একদম শেষের দিকে পেয়ে যাবেন একটি নম্বর। এবার এই নম্বরে ডায়াল করুন।
- আবার আগের মত "আপনার ডায়ালকৃত নম্বরে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। অনুগ্রহ করে..." শুনতে পাবেন।
- কলটি কেটে দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে ফরতি এসএমএস এ পেয়ে যাবেন আরও একটি নম্বর।
তবে..
- এসএমএস এ সবসময় সরাসরি নম্বর নাও থাকতে পারে। কোন নম্বরে ডায়াল করবেন তার ক্লু থাকতে পারে। যেমন আমার একটা এসএমএস এ কিছু বাইনারি নম্বর দিয়েছিল যার ডেসিমেল ভ্যালু বের করে আমাকে নম্বর টি বের করতে হয়েছিল।
- নম্বর ডায়াল করতে করতে একসময় গিয়ে আর এসএমএস আসবে না। তখন বুঝতে হবে যে আপনার মোবাইল নম্বরের জন্য এসএমএস চেইনিং (SMS Chaining) শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি ভিন্ন ভিন্ন বাংলালিংক নম্বর থেকে ডায়াল করে দেখেছি একএক নম্বর একএক সময়ে চেইনিং বন্ধ হয়ে যায়। যেমন: আমার নম্বর থেকে ১৭ টি SMS আসার পর আর আসে নি। আবার আরেকটি বাংলা লিংক নম্বর থেকে ২১ টি এসএমএস আসার পর আর আসেনি।
তো বাংলালিংকওয়ালারা শুরু করে দিন এসএমএস চেইনিং আর সংগ্রহ করুন মজার মজার সব এসএমএস। জানান আপনার কতটি এসএমএস পাবার পর এসএমএস চেইনিং (SMS Chaining) বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর অবশ্যই মন্তব্য করুন।
----------------------------------------------------------------------------------------------------
জেনে নিন মোবাইলে দ্রুত চার্জ দেওয়ার চার উপায়
এক্ষুনি বন্ধুর সঙ্গে কোথাও দেখা করতে যেতে হবে অথচ দেখলেন যে মোবাইলে চার্জ নেই। ওই সময় অল্প একটু চার্জ হলেও হয়তো কাজ চলবে কিন্তু তা না হলে দেরি হয়ে যাবে। মোবাইলে চার্জ দেওয়ার বিষয়টি অতি জরুরি কিন্তু অতিরিক্ত সময় লাগবে বলে ভাবছেন দেরি হয়ে যাবে। আপনি এ ধারণা বদলানোর জন্য এ তথ্যটিই যথেষ্ট। সম্প্রতি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের বিশেষজ্ঞরা দ্রুত মোবাইল চার্জ দেওয়ার একটি পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছেন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কিভাবে দ্রুত চার্জ দেবেন?
১. চার্জারের সঙ্গে আপনার মোবাইল ফোনটিকে যুক্ত করার আগে কোনো অ্যাপস
চালু থাকলে তা দ্রুত বন্ধ করে দিন এবং আপনার মোবাইল ফোনটিকে এয়ার প্লেন
মোডে নিয়ে যান। এতে আপনার মোবাইলের সব ওয়্যারলেস রেডিও বন্ধ হয়ে যাবে, যাতে
মোবাইল ফোনে কল করা, ওয়েব ব্রাউজ করা বা জিপিএস ব্যবহার করার সুবিধা বন্ধ
হয়ে যাবে। এতে বিশেষ যে সুবিধা হবে তা হচ্ছে আপনার মোবাইল ফোনটি
স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত চার্জ হবে। এ সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার ফোনের
ব্যাটারি থেকে চার্জ শেষ করার মতো কাজ বন্ধ থাকবে।
২. ফোনের পাওয়ার বন্ধ করে দিয়ে চার্জ দিলেও একই রকম সুবিধা পেতে পারেন, তবে যাঁরা ঘড়ি বা অ্যালার্মনির্ভর, তাঁদের জন্য ফোনের পাওয়ার পুরো বন্ধ করে দেওয়া অবশ্য সঠিক সমাধান নয়।
৩. এই পদ্ধতিতে চার্জ দেওয়া হলে স্বাভাবিক পদ্ধতির চেয়ে খুব বেশি পার্থক্য হয় না। তবে তড়িঘড়ির সময়ে প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে চার্জ হওয়ার সময় নির্ভর করে ব্যাটারির আকার ও চার্জারের ক্ষমতার ওপর।
৪. দ্রুত চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ মনে রাখতে হবে তা হচ্ছে কতখানি চার্জ হচ্ছে তা বারবার না দেখা। ব্যাকলিট ও ডিসপ্লে যথেষ্ট পরিমাণ চার্জ খায়। তড়িঘড়ির সময় কতখানি চার্জ হচ্ছে তা দেখতে গেলে ডিসপ্লেতে চার্জ নষ্ট হবে। তার চেয়ে বরং কিছুক্ষণ ধৈর্য ধরুন এবং ফোনটিকে চার্জ হতে দিন এবং যখন স্থান ত্যাগ করবেন তার আগে ফোনটি চার্জার থেকে খুলে নিন।
২. ফোনের পাওয়ার বন্ধ করে দিয়ে চার্জ দিলেও একই রকম সুবিধা পেতে পারেন, তবে যাঁরা ঘড়ি বা অ্যালার্মনির্ভর, তাঁদের জন্য ফোনের পাওয়ার পুরো বন্ধ করে দেওয়া অবশ্য সঠিক সমাধান নয়।
৩. এই পদ্ধতিতে চার্জ দেওয়া হলে স্বাভাবিক পদ্ধতির চেয়ে খুব বেশি পার্থক্য হয় না। তবে তড়িঘড়ির সময়ে প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে চার্জ হওয়ার সময় নির্ভর করে ব্যাটারির আকার ও চার্জারের ক্ষমতার ওপর।
৪. দ্রুত চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ মনে রাখতে হবে তা হচ্ছে কতখানি চার্জ হচ্ছে তা বারবার না দেখা। ব্যাকলিট ও ডিসপ্লে যথেষ্ট পরিমাণ চার্জ খায়। তড়িঘড়ির সময় কতখানি চার্জ হচ্ছে তা দেখতে গেলে ডিসপ্লেতে চার্জ নষ্ট হবে। তার চেয়ে বরং কিছুক্ষণ ধৈর্য ধরুন এবং ফোনটিকে চার্জ হতে দিন এবং যখন স্থান ত্যাগ করবেন তার আগে ফোনটি চার্জার থেকে খুলে নিন।
নাইচ আর্টিকেল ধন্যবাদ
ReplyDelete