উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ
মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে
প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘
অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে
উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায়
স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি
গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার
কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি
উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে
ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু
হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে
আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন-
সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷
ধরুন পরিচিত বা অপরিচিত যে কেউই হউনা কেন আপনাকে ই-মেইল করেছে। আপনি ইমেইল থেকে তার আইপি ঠিকানা জানতে পেরেছেন। এখন আপনি যদি যে কোথায় আছে বা তার দুরত্ব আপনার থেকে কতদুর, সেটা আপনি জানতে পারবেন আইপি দিয়ে। আপনার আইপি ঠিকানা প্রেরকের আইপি ঠিকানায় অবস্থান কোথায় এবং একটি থেকে অন্যটির দুরত্ব কত, এমনকি এ দুরত্ব অতিক্রম করতে পায়ে হেটে বা গাড়িতে অথবা বিমানে কত সময় লাগবে সবকিছুই জানতে পারবেন। দুটি আইপির দুরত্ব বের করবে। www.ip-adress.com/ipaddressdistance এই লিংকে যেতে হবে। গেলে দেখতে পাব একটু নিচে বা পাশে Ip Address or host No-1 এ আপনার আইপি ঠিকানা দেখতে পাবেন। Ip Address or host No-2 এ অন্য আইপি ঠিকানা দিয়ে Show Distance বাটনে ক্লিক করুন
Comments
Post a Comment